তাড়াশ

চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার

 

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)  সংবাদদাতা:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের একটি গ্রামে বসবাসকারী গ্রামবাসীদের বহু বছরের একটি চলাচলের একমাত্র রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় ওই গ্রামের কৃষক, চাকুরীজীবি, নারী, শিশু, শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০টি পরিবার চলাচলের পথ বন্ধ গেছে। যাতে করে চরম ভোগান্তিতে পরেছেন পরিবারগুলো।
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়।
এ বিষয়ে ভুক্তথোগী পরিবার গুলো গ্রাম্য প্রধানদের কাছে কোন প্রতিকার না পেয়ে বুধবার বিকালে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান নিশ্চিত করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের এলাকার আশপাশে ৪০টি পরিবারের সদস্যরা বংশপরম্পরায় বসবাস করে আছেন। মুলতঃ পরিবার গুলো দীর্ঘদিন ধরে ঈদগাহ মাঠের পাশ দিয়ে চলাচলের ওই রাস্তায় ফসল আনা নেওয়া, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতসহ যাবতীয় কাজে ব্যবহার কওে আসছেন। আবার একই পথে থাকা মনোহরপুর জামে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছিলেন পরিবার গুলোর মুসল্লীরা। অথচ গ্রামের কতিপয় গ্রাম্য প্রধান স্থানীয়দের চলাচলের একমাত্র রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচাীর নির্মাণ করে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়েছে। যার ফলে  ঈদগাহ মাঠের আশে পাশের ৪০ টি পরিবারের সদস্যরা চরম ভোগান্তিতে পরেছেন।

অবশ্য, গ্রাম্য প্রধান মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানিয়েছেন, ওই পরিবারগুলোর চলাচলের জন্য অন্য আরেকটি রাস্তা আছে। তারা সেখান দিয়েই চলাচল করবে। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবারের একাধীক সদস্য জানান, বিকল্প রাস্তাটি অত্যন্ত সুরু তাতে একজন মানুষের স্বাচ্ছন্দে হাটাচলাও কঠিন।

পাশাপাশি ঈদগাহ মাঠের পাশ দিয়েই চলাচলের একমাত্র রাস্তা দাবী করে মো. শাহালম  প্রাং, মোছা. জমিনা খাতুন, মোছা. লাইলী খাতুনসহ একাধিক ভুক্তভোগীগণ জানিয়েছেন,  ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণ হোক এটা আমরাও চাই। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমরা ৪০টি পরিবারের মানুষ একমাত্র এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে আসছি। অথচ ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে আমাদের পরিবারগুলোকে অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আর প্রাচীর নির্মাণ হলে আমাদের বের হওয়ার কোন উপায় নেই। ছেলে- মেয়েরাও স্কুলে যেতে পারবে না। তাই আমাদেও ভুক্তভোগি ৪০ পরিবারের সদস্যদের স্বাক্ষরীত একটি লিখিত অভিযোগ তাড়াশ ইউএনও বরাবর দাখিল করেছি।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লুৎফর রহমান
তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ।
৩০.০৭.২০২৬

 

ᐧ